বাংলা ছিঃনেমা, চৌধুরী সাহেব এবং কিছু অতি চিনা ডাইলোগ..

* চৌধুরী সাহেবঃ তোর মত চাকরানীর ছেলের সাথে আমি চৌধুরী গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রির মালিক আমার একমাত্র মেয়ের বিয়ে দিব তুই ভাবলি কি করে?
রাজাঃ কারণ আমরা একে অপরকে ভালবাসি।
চৌধুরী সাহেবঃ এসব টাকার লোভে ভালবাসার কথা আমার জানা আছে, তোর যত্ত টাকা লাগে আমি দেব, তুই এক্ষুনি আমার প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে যা। নইলে বন্দুক বের করব।
রাজাঃ তবে শুনে রাখুন চৌধুরী সাহেব, টাকা দিয়ে ভালবাসা কেনা যায়না । আমি আমার প্রিয়া কে যে করেই হোক.........।।

* নায়িকাঃ না , বাবা ! না ! আমি মরনকে ভুলতে পারব না, ও আমার মরন, আমার ভালোবাসা।
চৌধুরী সাহেবঃ তাহলে তুমি ও শুনে রাখ, আজ থেকে তোমার বাড়ির বাইরে যাওয়া
বন্ধ। আয় আমার সাথে ( বেডরুমের দিকে হ্যাচড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। নায়িকা দুই
দিকে হাত দিয়া হাওয়ায় মারামারি করতাছে) ।

* তারপর বদ্ধ ঘরের সুসজ্জিত বিছানায় নায়িকা ঝাঁপিয়ে পড়বে, (কেরাশিন কাঠের খাট প্রায় ভাঙ্গে আরকী!!) বুকে বালিশ চেপে হু হু করে ছিচ-কান্না করবে, পর্দায় শিকনি ঝাড়বে...একটা বিরহের গান হবে। মিসেস ****্রী খাবার সাধলে সে অনশন ধর্মঘটের ঘোষণা দেবে। এবং...
মাঃ "মামনি, সারাদিন কিছু খাসনি। শরীর খারাপ করবে, দুধটুকু খেয়ে নে। "
মেয়েঃ " না আমি কিচ্ছু খাবোনা(বালিশ ছুড়ে ফেলে), মরণকে ছাড়া আমি কিচ্ছু খাবোনা !"

* নায়িকাঃ বাবা আমি মরনকে ছাড়া বাচব না।
চৌধুরী সাহেবঃ ঐ শ্রমিকের বাচ্চাকে তুই ভালোবাসিস, ****্রী বংসের ইজ্জতের কথা একবার ও ভাবলি না। তুই ওকে ভুলে যা। আমার বন্ধু হাওলাদার এর ছেলের সাথে তোর বিয়ে ঠিক করেছি। শিল্পপতি বাবার একমাত্র ছেলে।


* শয়তান!!! তুই আমার বাবাকে মেরেছিস!!! আমার লুঙ্গি চুরি করে বাশ বাগানে লুকায় রাখছিস!!! আজ তোকে আমি আত্মহত্যা করব!!!! ইয়াআআআআআআআহ !!!

* শয়তান !!! দেহ পাবি তো মন পাবিনা

* পৃথিবীর এক প্রান্তে যদি সব ধন, দৌলত, সম্পত্তি থাকে...আর এক প্রান্তে তোমার ভালোবাসা থাকে...আমি তোমার কাছেই আসবো সাথী

* নায়কঃদাক্তার সাহেব,আমার মা বাচবে তো??
ডাক্তারঃ খুব দ্রুত অপরেশন করতে হবে। অপরেশনের জন্য ৪০ লাখ টাকা লাগবে...
নায়কঃ আপনি কোনো চিন্তা করবেন না দাক্তার ছাহেব। আমি রিকশা চালিয়ে,ইট ভেঙ্গে,ঠেলা গাড়ি ঠেলে ২দিনে সব টাকা জোগাড় করে দিচ্ছি......
ডাক্তার(মনে মনে): আগে কোবি তো। তাইলে ডাক্তারি না পইড়া ঠেলা গাড়ি চালাইতাম

* নায়কঃ চৌধুরী......তোর পোষা কুত্তাগুলো পিটিয়ে আমার শরীরের যে হাল করেছে পৃথিবীর কোনো ইঙ্গিনিয়ার তা পুনর্নিমান করতে পারবেনা।(শশুর আব্বাজী আপনার মেয়ে বাদে)

* ওমর সানীঃ "অমন চোঁখে তাকাবেন না মিস। হৃদয়ে যে কারো অগ্নুৎপাত শুরু হয়ে গেলে সেই আগুনে নিজেকেই জ্বলতে হবে।"
মৌসুমীঃ "You stupid, shut up!"

* চৌধূরী সাহেব, আমি লম্বায় ছোট হতে পারি কিন্তু ছোটলোক নই ..... আজ আপনি আমার সাথে
আপনার মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজী হচ্ছেন না, তবে মনে রাখবেন আপনার মেয়ের 3gp ফরম্যাট এর ভিডিওগুলো এখনও আমার কাছে আছে ..... আর আমিও You Tube
এ ভিডিও আপলোড করতে শিখে গেছি ......... হু হু হো হো হা হা ........

* গরীব নায়কের গরীব বাবা [প্রেফারেবলি আনোয়ার হোসেন] মৃত্যুশয্যায় নায়কের জামা খামচে ধরে বলছে, "মৃত্যুর আগে একটা কথা তোকে জানিয়ে যাই বাবা ... তুই আমার আপন ছেলে নোস! তুই ... তুই কুসুমপুরের জমিদার আলিম চৌধুরীর ছেলে! আঘঘঘঘঘঘঘঘঘ!"

* ভিলেন নায়ককে রাস্তায় পেয়ে কিলিয়ে ভর্তা বানিয়েছে। মাথায় রক্তাক্ত ব্যাণ্ডেজ নিয়ে নায়ক দরজা খুলে উঠানে এসে দাঁড়িয়েছে টলতে টলতে। মায়ের হাত থেকে মাটির শানকি পড়ে ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। "খোকাআআআআআআ!" নায়ক মায়ের কোলে মাথা রেখে বলবে, "ম্মা!"

* নায়ক দরজা ভেঙে হাসপাতালে ঢুকে পড়েছে, "মা মা মা ... দ্যাখো মা আমি রক্ত বেচে ওষুধের টাকা যোগাড় করে এনেছি!" অ্যাপ্রন পরা স্টেথোস্কোপ কানে ডাক্তার মায়ের মুখের ওপর চাদর তুলে দিয়ে বলছেন, "আই অ্যাম সরি!

* চৌধুরী সাহেবঃ বামন হয়ে তুই চাদের দিকে হাত বাড়াইসস। তোর কত্ত বড় সাহস। তোর ভিটায় আমি যদি ঘুঘু না চড়াইছি তাইলে আমার নাম শরীফ চৌধুরী না।

* হাফপ্যান্ট পরে টেনিস ড়্যাকেট হাতে মাথার দুই পাশে বেণী করা ইয়া গোবদা নায়িকা দুই সখীসহ সিঁড়ি বেয়ে উঠে যাচ্ছে নিজের ঘরে। নিচে ড্রয়িংরুমে বসে নায়িকার দিকে তাকিয়ে বাপ বলছে, মা মরা মেয়েটা আমার!

* গ্রামের মাতবর ভিলেন পানের দোকানে বসে আড়চোখে দেখছে, গ্রামের যুবক (!?) নায়ক যুবতী (??) নায়িকার হাত ধরে খিলখিল হাসতে হাসতে ধানক্ষেতের আল ধরে হেঁটে যাচ্ছে। ভিলেন বলছে, জুয়ান মাইয়া জুয়ান পুলা, হাটে মাঠে ঘাটে হাসে খ্যালে দৌড়ায় ... মাইনষে সইবো, আল্লায় সইবো না!

* রাত বিরাতে নায়িকার ঘরে ঢুকে পড়েছে ভিলেন। নায়িকা বলছে, এত রাতে কী চান চাচা? ভিলেন বলছে, এত রাইতে আর চাচা ডাকিস না!

* কল্পনা করা যাক,
ভিলেন সিরিয়াস কাঞ্চনঃআমার বুকের ভিতর যে আগুন আসে তা মিটানোর মত কোন দমকল তোমার কাছে নেই।
হিরোর রোলে ডিপজলঃপানি ডুবাইয়া মারে, আগুন পুড়াইয়া মারে, আর এই ডিপজল কেড়বেড়া কইরা মারে।
হার্ট এ্যটাক প্রবণ পুলিশ অফিসার প্রবীর মিত্রঃ আইন নিযের হাতে তুলে নেবেন না!! আইন কে তার নিজস্ব গতিতে চলতে দিন।

একটা গান দিয়ে শেষ করি, ♪♪ ও খুশি-ও খুশি, তুমি কি যে রূপসী,
মন চায় ময়না পাখির মত বুকের পিঞ্জরে পুষি।। ♪♪

Blogged with the Flock Browser

0 comments:

Post a Comment

wc